আমাদের কথা
সংক্ষিপ্ত ইতিহাস
আমাদের কথা:**
******* যুগোপযোগী শিক্ষা ও সহপাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের শারীরিক, মানসিক ও নৈতিক গুণাবলির সুষম বিকাশ সাধন এবং প্রত্যেক শিক্ষার্থীকে বৃহত্তর কর্মজীবন ও জাতীয় জীবনের বিভিন্ন ক্ষেত্রে নেতৃত্বদানের উপযোগী সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা ও শিক্ষার্থীদের নিজ যোগ্যতায় সর্বাদিক সংখ্যক শিক্ষার্থী মেডিকেল, বুয়েটসহ দেশের পাবলিক বিশ্ববিদালয়ে ভর্তির সুযোগ পেয়ে দেশ সেরা/ জাতীয় পর্যায়ে প্রথম হওয়াই অত্র প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য। এই প্রতিষ্ঠানের মূলমন্ত্র হচ্ছে-‘শিক্ষা, শৃঙ্খলা, চরিত্র, দেশপ্রেম ও সেবা’।******
আধুনিক ও মানসম্মত শিক্ষায় উন্নত, আদর্শ নাগরিক তৈরির মাধ্যমে শিক্ষিত জাতি গঠনসহ দেশ উন্নয়নের ভূমিকা রাখতে আমরা বদ্ধ পরিকর। তাই আধুনিক ও যুগোপযোগী প্রযুক্তি নির্ভর উন্নত শিক্ষা ব্যবস্থা, প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অভিজ্ঞ শিক্ষকমন্ডলী দ্বারা পরিচালিত ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের মাধ্যমে কক্সবাজার জেলার , মহেশখালী উপজেলার অন্যতম সেরা একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ইউনুছখালী নাছির উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়, যা ১৯৫৫ সালে প্রতিষ্ঠিত। স্বল্প খরচে ও দরিদ্র শিক্ষার্থীদের বিনা খরচে পড়ার সুযোগ রয়েছে। শিক্ষার আলোর মাধ্যমে অত্র এলাকার নিরক্ষরতা ও বিরাজমান কুসংস্কারের অন্ধকার দূরীকরণে আমরা দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ।
লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য
১. কাঙ্খিত চারিত্রিক ও মানবিক গুনাবলীর সার্বিক বিকাশ সাধনের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধা , মনন ও সৃজনশীলতার বহুমাত্রিক প্রকাশ ঘটিয়ে সুনাগরিক গড়ে তোলা ।
২. দায়িত্ববোধ, নৈতিকতা, নিয়মানুবর্তিতা ও সময়ানুবর্তিতা সম্পর্কে শিক্ষার্থীদের সচেতন করে গড়ে তোলা।
৩. নৈতিক মূল্যবোধ সম্পন্ন আলোকিত মানুষ তৈরি করা ।
৪. শিক্ষার্থীদের চিন্তা, চেতনায় এবং কর্মে সৃজনশীলতা , জনকল্যাণ ও মানব সেবাবোধ জাগ্রত করে তোলা।
৫. শিক্ষার পাশাপাশি শারীরিক, মানসিক ও মানবিক গুনাবলী বিকাশে সহায়তা করা।
৬. শিক্ষার্থীদের নেতৃত্ব ও ব্যক্তিত্বের বিকাশ এবং উচ্চ শিক্ষার উপযোগী করে গড়ে তোলা ।
৭. ইংরেজিতে সর্বাধিক গুরুত্ব প্রদান, তত্ত্বীয় জ্ঞানে সীমাবদ্ধ না থেকে যথাযথ উপকরণ ব্যবহারের মাধ্যমে শিক্ষাকে বাস্তব ভিত্তিক ও আন্দনময় করে তোলা।
৮. শিক্ষার্থীদের মাল্টিমিডিয়া ক্লাসরুম এবং আই. সি.টি. ব্যবহারের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তিগত শিক্ষায় শিক্ষিত করে গড়ে তোলা।
৯. কঠোর শৃঙ্খলাবোধের মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রতিযোগিতার মনোভাব সৃষ্টি করা।
১০. মহান মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় শিক্ষার্থীদের উজ্জ্বীবিত করে সত্যিকার অর্থে একজন দেশপ্রেমিক নাগরিক হিসাবে গড়ে তোলা এবং প্রাত্যহিক সমাবেশের মাধ্যমে জাতীয় সংগিত চর্চা করা।